আক্ষরিক অর্থেই কোলকাতার প্রাণকেন্দ্রে (সেন্ট্রাল কলকাতা), ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে, আজও আভিজাত্যকে বহন ক'রে নিয়ে স্বমহিমায় বিরাজমান বদন চন্দ্র রায় বাড়ি বা কোলুটোলা রায় বাড়ি। সদা ব্যস্ত সেন্ট্রাল এভেন্যু থেকে যানজট এড়িয়ে পুরোনো কলকাতার গল্প শুনতে কবিরাজ রো ধরে এগোলেই রায় বাড়ি তার অস্তিত্বের জানান দেয়।
ভারতের স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে যে সমস্ত জমিদার বাড়িগুলি আজও তাদের ঐতিহ্যের ধারাকে অক্ষুন্ন রেখে মাতৃ আরাধনায় নিয়োজিত, তাদেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ মথুরা মোহন রায় (বদন চন্দ্র রায়ের পিতা) ও তাঁর পারিবারিক দুর্গাপূজা। ইতিহাস বলে, ১৮৩৫ খ্রীষ্টাব্দে ম্যাকিনটোশ এন্ড বার্ন বর্তমানের এই প্রাসাদোপম বাড়িটি তৈরী করে এবং ১৮৫৭ সালে মথুরা মোহন রায়ের কনিষ্ঠ পুত্র বদন চন্দ্র রায় এই বাড়িতেই দুর্গাপুজোর গোড়াপত্তন করেন।
রাজকীয় ঠাকুরদালান, বেলজিয়াম কাঁচের ঝাড়লণ্ঠন, ইতালীয় ঘরানার সীমানা পরিবেষ্টিত চক মেলানো প্রাঙ্গন যেন সারা বছর ধরেই মা আসার অপেক্ষায় থাকে! স্বর্ণালংকারে ভূষিতা ও রুপোর অস্ত্রধারী দশ ফুট উচ্চতার দেবী মা এই বাড়িতে পূজিতা। একশো আট টি নারকেল, একশো সাতাশি কিলো চিনি আর তিনশো পঁচাত্তর কিলো চালের সন্ধি পুজোর বিশেষ ভোগের রীতি আজও বিদ্যমান! বিদায় বেলায় মা কে কাঁধে নিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন এক অন্য আবহ তৈরী করে।
- আদৃতা ব্যানার্জী (adrita.research @gmail.com)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.png)